লিখেছেনঃ
2019-08-26BDT10:09 - আপনি আত্মহত্যা করতে চান কেন?- বেচে থাকার কোনো কারন নেই তাই।- আপনার বেচে থাকার কোনো কারন নেই কেন?ভদ্রলোক উত্তর না দিয়ে আমার দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে থাকলেন। তারপর মাটির দিকে তাকিয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। সেখানে একটা বিকৃত হাসি দিয়ে আবার আমার দিকে তাকালেন। বললেন, তোমার কাছে সিগারেট হবে?আমি সিগারেট দিলাম। ভদ্রলোক আয়েশ করে সিগারেট ধরালেন। আকাশের দিকে মুখ করে ধোয়া ছাড়তে ছাড়তে বললেন, আমি যদি বলি, তুমি বেচে আছো কেন ??? আমরা র‍্যাঙ্কস টাওয়ার বিল্ডিং এর ছাদে রেলিং এর পাশে বসে আছি। বিল্ডিংটা চব্বিশ তলা। চব্বিশ তলার ছাদ থেকে দুরের বিল্ডিং গুলোর দিকে তাকালে এক অতিপ্রাকৃত ফিল আসে। সব কিছু হটাত নিজের মনে হয়। আমার সাথে যিনি আছেন, তিনি অবশ্য দূরে তাকাচ্ছেন না। তিনি একটু পর পর সোজা নিচে তাকাচ্ছেন। আমার সেদিকে তাকানো মাত্রই মাথা ঘুরাচ্ছে। আত্মহত্যা বিষয়ক জ্ঞান অর্জনের জন্য আমি বেশ কিছু জায়গায় লিঙ্ক দিয়ে রেখেছিলাম, এ বিষয়ে কিছু ঘটলে কিংবা ঘটার সম্ভাবনা থাকলেও যেন আমি খবর পাই। বেশ কয়েক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও সেরকম কিছু না পাওয়ায় আমি নিজের মোবাইল নাম্বার দিয়ে কিছু আবোল তাবোল লিফলেট ছাপাই এবং শহরের বিভিন্ন দেয়ালে তা এটে দি। লিফলেট এর শিরোনাম ছিলো, "আত্মহত্যার প্রত্যক্ষদর্শী হতে চাই"। নিচে লিখেছিলাম, "তেত্যুমৃ কেনাপয়া ধাবা আদে নাবেহ জমিপ্র ছিরক"। যার অর্থ, মৃত্যুতে আপনাকে বাধা দেয়া হবেনা প্রমিজ করছি। দুদিনের মাথায় এক ভদ্রলোক ফোন দিয়ে একটি ঠিকানা দিলেন। সময় বেধে দিলেন রাত ১২টা। ঠিক ১২টা ১ মিনিট থেকে তিনি আর পৃথিবীতে থাকবেন না। আমি এখন সেই ঠিকানায় উপস্থিত। এখন সময় ১১টা ৫১। ভদ্রলোকের বয়স পঞ্চাশ এর উপর। গায়ের রঙ ফর্সা । মাথায় ছোট করে একটা টাক আছে। মুখ ক্লিন সেভ করা। হলিউড সিনেমাগুলোয় সিরিয়াল সাইকো কিলারের অভিনেতা হিসেবে তাকে খুব মানাতো। তার গা থেকে দামি কোনো ব্র্যান্ডের পারফিউমের গন্ধ আসছে। নিতান্তই পারফিউম জাতীয় দ্রব্যে আমার আগ্রহ কম বলে ধরতে পারছিনা কোন ব্র্যান্ড। আমি বললাম,- আমার বেচে থাকার অনেক কারন আছে।- কি সেগুলো?- আমি বেচে থাকতে চাই কারন আমার আশেপাশের মানুষগুলো আমায় ভালোবাসে। তারা স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসে আমায় নিয়ে। কিংবা উল্টোটাও আপনি ধরে নিতে পারেন। আমি বেচে থাকতে চাই কারন কিছু মানুষ আমাকে ঘৃণা করে। তারা ভালোবাসে আমাকে গালিগালাজ করতে। আমি বেচে থাকতে চাই বিকজ দিস ওয়ার্ল্ড কেয়ারস মি। অর দিস ওয়ার্ল্ড ডাজেন্ট কেয়ার মি। আমি বেচে থাকতে চাই কারন.... আমাকে থামিয়ে ভদ্রলোক হটাত হাসা শুরু করলেন। আমি তার হাসি থামার জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম। কিছুক্ষন পর তিনি হাসি থামিয়ে বললেন, তুমি তোমার বেচে থাকায় 'কিংবা', 'অথবা', 'যদি' নামের কীটগুলোকে দিনের পর দিন পুষছো। অথচ তুমি ভাবছো তুমি বাচতে চাও, হা হা হা।- বুঝলাম না।- না বুঝতে পারার কিছু নেই। তোমরা বেচে থাকো কেন জানো? কারন এই 'কিংবা', 'যদি' নামক কীটেরা তোমাদের বেচে থাকাকে নিয়ন্ত্রন করে। এই কীটগুলোকে তোমরা না পারবে মেরে ফেলতে। না পারবে এই কীটগুলোকে নিজেদের নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসতে।আমি চুপ করে রইলাম। ভদ্রলোক কথা বলছেন খুব শান্ত ভাবে। মাঝে মাঝে বিরতি নিয়ে সিগারেটে টান দিচ্ছেন।- তোমার কাছে মনে হতে পারে, আমি মারা যাচ্ছি কারন পৃথিবী আমার ভালো লাগেনা। এটা ভুল। আমি পৃথিবীকে পছন্দ করি। পৃথিবীর আলো বাতাস সবই আমাকে উল্লসিত করে। গত সপ্তাহেও আমি সেন্টমারটিন থেকে ঘুরে এসেছি। খুবই সুন্দর জায়গা। আর দশজন মানুষের মতই আমি আকৃষ্ট হই প্রকৃতির সৌন্দর্যে। তুমি খুব সম্ভবত একটা কাল্পনিক সুইসাইড নোট লিখেছিলে তোমার ফেসবুক ওয়ালে। সেখানে তোমার চরিত্রটা পৃথিবীর আলো বাতাস সহ্য করতে পারতোনা বলে তুমি উল্লেখ করেছিলে। আমার ক্ষেত্রে তা না। আমি পৃথিবীকে ভালোবাসি। - তাহলে আত্মহত্যা কেন করতে চাচ্ছেন?ভদ্রলোক একটু থেমে বললেন, তোমার জানতে ইচ্ছে হলোনা, তোমার ফেসবুকের লেখা আমি পেলাম কিভাবে?- না। হলোনা। কারন এটা অনুমান করা সহজ।- গুড।- বললেন না?- কি?- পৃথিবীকে ভালোবাসলে আত্মহত্যা কেন করছেন?ভদ্রলোক উত্তর দিলেন না। মৃদু একটা হাসি দিয়ে হাতঘড়ির দিকে তাকিয়ে সময় দেখে নিলেন। আমিও সাথে সাথে মোবাইলে সময় দেখলাম। ১১টা ৫৭। ভদ্রলোক উঠে দাড়ালেন। তারপর বললেন, 'তুমি যদি মনে করে থাকো লাফ দেয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে আমাকে তুমি ঠেকাবে, তাহলে ভুল ভাবছো।' আমি নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করে বললাম, 'আমি তা ভাবছিনা।'-গুড। আকাশে মেঘ জমতে শুরু করছে। একটু আগেও পুরো আকাশ পরিস্কার ছিলো। সেখানে বিশাল একটা চাঁদ দেখা যাচ্ছিলো। ১০ মিনিটের ব্যবধানে সে এখন ঘোর অন্ধকারে। আজ সারারাত আর দেখা যাবে কিনা তাই সন্দেহ। আমি স্থির হয়ে বসে থাকার চেষ্টা করছি। আমার সামনে ভদ্রলোক এক চিত্তে চোখ বন্ধ করে দাঁড়িয়ে আছেন। শ্বাস নিচ্ছেন প্রান ভরে। আমি আবার সময় দেখলাম। ১১টা ৫৯। চোখ বন্ধ অবস্থাতেই ভদ্রলোক হটাত বলে উঠলেন,- জয়, আমি মারা যাচ্ছি কেন জানতে চাও?আমি কিছু না বলে তাকিয়ে রইলাম।- কারন আমি কীট গুলো থেকে বাচতে চাই। কিন্তু এই মুহূর্তে হটাত খুব বাচতে ইচ্ছে করছে। কি করি বলতো?আমি আবার চুপ করে রইলাম। ভদ্রলোক একটু অপেক্ষা করে হেসে বললেন,- হা হা হা, ক্ষণিকক্ষণের জন্য আমি ভেবেছিলাম তুমি যদি আমাকে ফিরে আসতে বলো, আমি আরো একদিন বেচে থেকে দেখবো।আমি কিছু বললাম না। ২ ১২টা ৫১। আমি ধীরে ধীরে উঠে দাড়ানোর চেষ্টা করছি। পারছিনা। চারদিকের পরিবেশটা হটাত অসহনীয় ভয়ানক হয়ে উঠেছে। আমার বারবার মনে হচ্ছে বিশাল একটা ভুমিকম্প হবে এখনই। ২৪ তলার বিল্ডিংটি অসম্ভব ভাবে কেপে উঠবে দুইবার। তারপর ধীরে ধীরে ভেঙ্গে পড়বে নিচে। বৃষ্টি পড়ছে অনেক্ষন হয়ে গেছে। থামার কোনো নাম গন্ধ নেই। হটাত কেউ একজন আমার কাধে হাত রাখলো। আমি চমকে উঠলাম। ৬৮৭ অগাস্ট ০৯, ২০১৭ ০৫:২৬ অপরাহ্ন ২ বছর পূর্বে

- আপনি আত্মহত্যা করতে চান কেন?
- বেচে থাকার কোনো কারন নেই তাই।
- আপনার বেচে থাকার কোনো কারন নেই কেন?
ভদ্রলোক উত্তর না দিয়ে আমার দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে থাকলেন। তারপর মাটির দিকে তাকিয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। সেখানে একটা বিকৃত হাসি দিয়ে আবার আমার দিকে তাকালেন। বললেন, তোমার কাছে সিগারেট হবে?
আমি সিগারেট দিলাম। ভদ্রলোক আয়েশ করে সিগারেট ধরালেন। আকাশের দিকে মুখ করে ধোয়া ছাড়তে ছাড়তে বললেন, আমি যদি বলি, তুমি বেচে আছো কেন ???

আমরা র‍্যাঙ্কস টাওয়ার বিল্ডিং এর ছাদে রেলিং এর পাশে বসে আছি। বিল্ডিংটা চব্বিশ তলা। চব্বিশ তলার ছাদ থেকে দুরের বিল্ডিং গুলোর দিকে তাকালে এক অতিপ্রাকৃত ফিল আসে। সব কিছু হটাত নিজের মনে হয়। আমার সাথে যিনি আছেন, তিনি অবশ্য দূরে তাকাচ্ছেন না। তিনি একটু পর পর সোজা নিচে তাকাচ্ছেন। আমার সেদিকে তাকানো মাত্রই মাথা ঘুরাচ্ছে।
আত্মহত্যা বিষয়ক জ্ঞান অর্জনের জন্য আমি বেশ কিছু জায়গায় লিঙ্ক দিয়ে রেখেছিলাম, এ বিষয়ে কিছু ঘটলে কিংবা ঘটার সম্ভাবনা থাকলেও যেন আমি খবর পাই। বেশ কয়েক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও সেরকম কিছু না পাওয়ায় আমি নিজের মোবাইল নাম্বার দিয়ে কিছু আবোল তাবোল লিফলেট ছাপাই এবং শহরের বিভিন্ন দেয়ালে তা এটে দি। লিফলেট এর শিরোনাম ছিলো, "আত্মহত্যার প্রত্যক্ষদর্শী হতে চাই"। নিচে লিখেছিলাম, "তেত্যুমৃ কেনাপয়া ধাবা আদে নাবেহ জমিপ্র ছিরক"। যার অর্থ, মৃত্যুতে আপনাকে বাধা দেয়া হবেনা প্রমিজ করছি। দুদিনের মাথায় এক ভদ্রলোক ফোন দিয়ে একটি ঠিকানা দিলেন। সময় বেধে দিলেন রাত ১২টা। ঠিক ১২টা ১ মিনিট থেকে তিনি আর পৃথিবীতে থাকবেন না। আমি এখন সেই ঠিকানায় উপস্থিত। এখন সময় ১১টা ৫১। ভদ্রলোকের বয়স পঞ্চাশ এর উপর। গায়ের রঙ ফর্সা । মাথায় ছোট করে একটা টাক আছে। মুখ ক্লিন সেভ করা। হলিউড সিনেমাগুলোয় সিরিয়াল সাইকো কিলারের অভিনেতা হিসেবে তাকে খুব মানাতো। তার গা থেকে দামি কোনো ব্র্যান্ডের পারফিউমের গন্ধ আসছে। নিতান্তই পারফিউম জাতীয় দ্রব্যে আমার আগ্রহ কম বলে ধরতে পারছিনা কোন ব্র্যান্ড।

আমি বললাম,
- আমার বেচে থাকার অনেক কারন আছে।
- কি সেগুলো?
- আমি বেচে থাকতে চাই কারন আমার আশেপাশের মানুষগুলো আমায় ভালোবাসে। তারা স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসে আমায় নিয়ে। কিংবা উল্টোটাও আপনি ধরে নিতে পারেন। আমি বেচে থাকতে চাই কারন কিছু মানুষ আমাকে ঘৃণা করে। তারা ভালোবাসে আমাকে গালিগালাজ করতে। আমি বেচে থাকতে চাই বিকজ দিস ওয়ার্ল্ড কেয়ারস মি। অর দিস ওয়ার্ল্ড ডাজেন্ট কেয়ার মি। আমি বেচে থাকতে চাই কারন....

আমাকে থামিয়ে ভদ্রলোক হটাত হাসা শুরু করলেন। আমি তার হাসি থামার জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম। কিছুক্ষন পর তিনি হাসি থামিয়ে বললেন, তুমি তোমার বেচে থাকায় 'কিংবা', 'অথবা', 'যদি' নামের কীটগুলোকে দিনের পর দিন পুষছো। অথচ তুমি ভাবছো তুমি বাচতে চাও, হা হা হা।
- বুঝলাম না।
- না বুঝতে পারার কিছু নেই। তোমরা বেচে থাকো কেন জানো? কারন এই 'কিংবা', 'যদি' নামক কীটেরা তোমাদের বেচে থাকাকে নিয়ন্ত্রন করে। এই কীটগুলোকে তোমরা না পারবে মেরে ফেলতে। না পারবে এই কীটগুলোকে নিজেদের নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসতে।
আমি চুপ করে রইলাম। ভদ্রলোক কথা বলছেন খুব শান্ত ভাবে। মাঝে মাঝে বিরতি নিয়ে সিগারেটে টান দিচ্ছেন।
- তোমার কাছে মনে হতে পারে, আমি মারা যাচ্ছি কারন পৃথিবী আমার ভালো লাগেনা। এটা ভুল। আমি পৃথিবীকে পছন্দ করি। পৃথিবীর আলো বাতাস সবই আমাকে উল্লসিত করে। গত সপ্তাহেও আমি সেন্টমারটিন থেকে ঘুরে এসেছি। খুবই সুন্দর জায়গা। আর দশজন মানুষের মতই আমি আকৃষ্ট হই প্রকৃতির সৌন্দর্যে। তুমি খুব সম্ভবত একটা কাল্পনিক সুইসাইড নোট লিখেছিলে তোমার ফেসবুক ওয়ালে। সেখানে তোমার চরিত্রটা পৃথিবীর আলো বাতাস সহ্য করতে পারতোনা বলে তুমি উল্লেখ করেছিলে। আমার ক্ষেত্রে তা না। আমি পৃথিবীকে ভালোবাসি।
- তাহলে আত্মহত্যা কেন করতে চাচ্ছেন?
ভদ্রলোক একটু থেমে বললেন, তোমার জানতে ইচ্ছে হলোনা, তোমার ফেসবুকের লেখা আমি পেলাম কিভাবে?
- না। হলোনা। কারন এটা অনুমান করা সহজ।
- গুড।
- বললেন না?
- কি?
- পৃথিবীকে ভালোবাসলে আত্মহত্যা কেন করছেন?
ভদ্রলোক উত্তর দিলেন না। মৃদু একটা হাসি দিয়ে হাতঘড়ির দিকে তাকিয়ে সময় দেখে নিলেন। আমিও সাথে সাথে মোবাইলে সময় দেখলাম। ১১টা ৫৭।

ভদ্রলোক উঠে দাড়ালেন। তারপর বললেন, 'তুমি যদি মনে করে থাকো লাফ দেয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে আমাকে তুমি ঠেকাবে, তাহলে ভুল ভাবছো।' আমি নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করে বললাম, 'আমি তা ভাবছিনা।'
-গুড।

আকাশে মেঘ জমতে শুরু করছে। একটু আগেও পুরো আকাশ পরিস্কার ছিলো। সেখানে বিশাল একটা চাঁদ দেখা যাচ্ছিলো। ১০ মিনিটের ব্যবধানে সে এখন ঘোর অন্ধকারে। আজ সারারাত আর দেখা যাবে কিনা তাই সন্দেহ। আমি স্থির হয়ে বসে থাকার চেষ্টা করছি। আমার সামনে ভদ্রলোক এক চিত্তে চোখ বন্ধ করে দাঁড়িয়ে আছেন। শ্বাস নিচ্ছেন প্রান ভরে। আমি আবার সময় দেখলাম। ১১টা ৫৯। চোখ বন্ধ অবস্থাতেই ভদ্রলোক হটাত বলে উঠলেন,
- জয়, আমি মারা যাচ্ছি কেন জানতে চাও?
আমি কিছু না বলে তাকিয়ে রইলাম।
- কারন আমি কীট গুলো থেকে বাচতে চাই। কিন্তু এই মুহূর্তে হটাত খুব বাচতে ইচ্ছে করছে। কি করি বলতো?
আমি আবার চুপ করে রইলাম। ভদ্রলোক একটু অপেক্ষা করে হেসে বললেন,
- হা হা হা, ক্ষণিকক্ষণের জন্য আমি ভেবেছিলাম তুমি যদি আমাকে ফিরে আসতে বলো, আমি আরো একদিন বেচে থেকে দেখবো।
আমি কিছু বললাম না।

১২টা ৫১। আমি ধীরে ধীরে উঠে দাড়ানোর চেষ্টা করছি। পারছিনা। চারদিকের পরিবেশটা হটাত অসহনীয় ভয়ানক হয়ে উঠেছে। আমার বারবার মনে হচ্ছে বিশাল একটা ভুমিকম্প হবে এখনই। ২৪ তলার বিল্ডিংটি অসম্ভব ভাবে কেপে উঠবে দুইবার। তারপর ধীরে ধীরে ভেঙ্গে পড়বে নিচে। বৃষ্টি পড়ছে অনেক্ষন হয়ে গেছে। থামার কোনো নাম গন্ধ নেই। হটাত কেউ একজন আমার কাধে হাত রাখলো। আমি চমকে উঠলাম।


বিষয়ঃ গল্প | ট্যাগসমূহঃ গল্প প্রবন্ধ [ ৬৮৭ ] 687 [ ০ ] 0
  • শেয়ার করুনঃ
পাঠিয়ে দিনঃ

ব্লগারঃ মির কায়সার

ব্লগ লিখেছেনঃ ৫ টি
ব্লগে যোগদান করেছেনঃ ২ বছর পূর্বে

০ টি মন্তব্য ও প্রতিমন্তব্য

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করবার জন্য আপনাকে লগইন করতে হবে।
ব্লগের তথ্য
মোট ব্লগারঃ ৬৬ জন
সর্বমোট ব্লগপোস্টঃ ৯৩ টি
সর্বমোট মন্তব্যঃ ১২২ টি


ব্লগ | হিউম্যানস অব ঠাকুরগাঁও-এ প্রকাশিত সকল লেখা এবং মন্তব্যের দায় লেখক-ব্লগার ও মন্তব্যকারীর। কোন ব্লগপোস্ট এবং মন্তব্যের দায় কোন অবস্থায় 'ব্লগ | হিউম্যানস অব ঠাকুরগাঁও' কর্তৃপক্ষ বহন করবে না