লিখেছেনঃ
2019-12-13BDT12:30 সিনেমা আমার জিবনের সাথে কখন যে রক্তের মতো মিশে গেছে, বুঝে উঠতে পারিনি । বাংলাদেশের সিনেমায় এই মুহূর্তে চলছে দুঃসময় । কাদা ছোড়াছুড়ি যেন থামছেই না, পরিচালক সমিতি, শিল্পী সমিতি, সেন্সর বোর্ড, তথ্য মন্ত্রণালয় সবপক্ষই যেন একজন আরেকজনের পেছেনে লেগে থাকা ছাড়া আর কোন কাজ নেই । অথচ সিনেমার উন্নয়নে সবার কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করবার এটাই ছিল সবচেয়ে প্রয়োজনীয় সময় । সামনে ঈদ, আর এই ঈদে যেসব সিনেমা রিলিজ হবার সম্ভাবনা রয়েছে - সেসব সিনেমার সার্বিক পরিস্থিতি আজ আমার  লিখায় উঠে আসবে, আশা করি । সিনেমা জীবন শিরোনামে এই লিখাটি পাঠকদের আগ্রহের ভিত্তিতে কন্টিনিউ করবার ইচ্ছে রয়েছে । ২০১৭ এর ঈদের আর বাকি আছে মাত্র সপ্তাহখানেক । এই ঈদে রিলিজের সম্ভাবনা রয়েছে চারটি সিনেমার , এগুলো হল - রাজনীতি, নবাব, বস-টু এবং রংবাজ; ঈদের এই চার ছবিকে ঘিরে সিনেমার আবহাওয়া একটু উত্তাল বটে। তবে একটা বিষয় আমাকে আনন্দিত করছে সেটা হল একটা ফেস্টিভ্যাল এ চারটা বিগ বাজেট ও সুনির্মিত ছবির মার্কেট এন্ট্রি হচ্ছে। বাংলাদেশের ছবির বাজার যেখানে দিনকে দিন সংকুচিত হচ্ছে সেখানে এইসব ছবি নিয়ে গন-মানুষের উন্মাদনা আমাকেও উদ্বেলিত করে নিঃসন্দেহে। আমারা যারা সিনেমা নির্ভর পেশায় জড়িত, তাদের কাছে সিনেমা হলে নিয়মিত ভালো কন্টেন্ট থাকাটা অত্যন্ত জরুরী। সেই সিনেমা জাজ, এরো, এসকে, ভেংকেটশ, রুপরঙ যারই হোক। একথা সত্য, কন্টেন্ট/ছবি ভালো হলে সিনেমা হল বাচবে। পক্ষান্তরে সিনেমা হলের পরিবেশ ভালো না হলে দর্শক সমাগম কম হবে, তাতে করে গুড কন্টেন্ট প্রডিউসার ডিমটিভেটেড হয়ে যেতে পারেন। দর্শক মানেই রেভিনিউ, এটা শুধুমাত্র ছবির প্রযোজকের আগের ছবির চালান ফেরত নয়, এটি তার পরের ছবির পুঁজিও বটে। আবার এই রেভিনিউ ইন্ডাস্ট্রির সাধারণ কর্মিদের রুটি রুজি ভাতের যোগান দেবে। এবার আসা যাক বাংলাদেশের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির বর্তমান পরিস্থিতি আলোচনায় । চালু হল রয়েছে সাড়ে তিন শতাধিক, যার মধ্যে দেড়শ হল রয়েছে যে হলগুলোর রিলিজ সিনেমা চালাবার সক্ষমতা রয়েছে । বাকি সিনেমা হলগুলো পুরানো সিনেমা চালায় । এর বাইরে কিছু সিনেমা হল রয়েছে যার সংখ্যা সত্তর থেকে পঁচাত্তরটি , এসব সিনেমা হল শুধুমাত্র উৎসবের সময়ে ওপেন হয় । ঈদের সিনেমা নেবার আর্থিক সামর্থ্য আছে দুই থেকে আড়াইশ সিনেমা হলের । চারটি সিনেমা এলে ইন্ডাস্ট্রির কিছু উপকার আছে, যেমন এতে করে বি ক্লাসের হল গুলোতেও প্রযোজকেরা সিনেমা দিতে বাধ্য হন । উৎসবের সময় হওয়াতে এসব সিনেমার সেল ভালো হয় । গত ঈদে শিকারি ও বাদশা ভালো বিজনেস ভালো করায় প্রায় ছাব্বিশটি সিনেমা হল অনিয়মিত থেকে নিয়মিত হয়ে যায় । এসব হলের মালিকেরা বন্ধ করে দেয়া হলগুলো পুনরায় চালু করবার সাহস পায় । ......(চলবে)   ৪০৬ জুন ২০, ২০১৭ ০৭:০৬ অপরাহ্ন ২ বছর পূর্বে

সিনেমা আমার জিবনের সাথে কখন যে রক্তের মতো মিশে গেছে, বুঝে উঠতে পারিনি । বাংলাদেশের সিনেমায় এই মুহূর্তে চলছে দুঃসময় । কাদা ছোড়াছুড়ি যেন থামছেই না, পরিচালক সমিতি, শিল্পী সমিতি, সেন্সর বোর্ড, তথ্য মন্ত্রণালয় সবপক্ষই যেন একজন আরেকজনের পেছেনে লেগে থাকা ছাড়া আর কোন কাজ নেই । অথচ সিনেমার উন্নয়নে সবার কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করবার এটাই ছিল সবচেয়ে প্রয়োজনীয় সময় । সামনে ঈদ, আর এই ঈদে যেসব সিনেমা রিলিজ হবার সম্ভাবনা রয়েছে - সেসব সিনেমার সার্বিক পরিস্থিতি আজ আমার  লিখায় উঠে আসবে, আশা করি । সিনেমা জীবন শিরোনামে এই লিখাটি পাঠকদের আগ্রহের ভিত্তিতে কন্টিনিউ করবার ইচ্ছে রয়েছে ।

২০১৭ এর ঈদের আর বাকি আছে মাত্র সপ্তাহখানেক । এই ঈদে রিলিজের সম্ভাবনা রয়েছে চারটি সিনেমার , এগুলো হল - রাজনীতি, নবাব, বস-টু এবং রংবাজ; ঈদের এই চার ছবিকে ঘিরে সিনেমার আবহাওয়া একটু উত্তাল বটে। তবে একটা বিষয় আমাকে আনন্দিত করছে সেটা হল একটা ফেস্টিভ্যাল এ চারটা বিগ বাজেট ও সুনির্মিত ছবির মার্কেট এন্ট্রি হচ্ছে।

বাংলাদেশের ছবির বাজার যেখানে দিনকে দিন সংকুচিত হচ্ছে সেখানে এইসব ছবি নিয়ে গন-মানুষের উন্মাদনা আমাকেও উদ্বেলিত করে নিঃসন্দেহে। আমারা যারা সিনেমা নির্ভর পেশায় জড়িত, তাদের কাছে সিনেমা হলে নিয়মিত ভালো কন্টেন্ট থাকাটা অত্যন্ত জরুরী। সেই সিনেমা জাজ, এরো, এসকে, ভেংকেটশ, রুপরঙ যারই হোক।

একথা সত্য, কন্টেন্ট/ছবি ভালো হলে সিনেমা হল বাচবে। পক্ষান্তরে সিনেমা হলের পরিবেশ ভালো না হলে দর্শক সমাগম কম হবে, তাতে করে গুড কন্টেন্ট প্রডিউসার ডিমটিভেটেড হয়ে যেতে পারেন। দর্শক মানেই রেভিনিউ, এটা শুধুমাত্র ছবির প্রযোজকের আগের ছবির চালান ফেরত নয়, এটি তার পরের ছবির পুঁজিও বটে। আবার এই রেভিনিউ ইন্ডাস্ট্রির সাধারণ কর্মিদের রুটি রুজি ভাতের যোগান দেবে।

এবার আসা যাক বাংলাদেশের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির বর্তমান পরিস্থিতি আলোচনায় । চালু হল রয়েছে সাড়ে তিন শতাধিক, যার মধ্যে দেড়শ হল রয়েছে যে হলগুলোর রিলিজ সিনেমা চালাবার সক্ষমতা রয়েছে । বাকি সিনেমা হলগুলো পুরানো সিনেমা চালায় । এর বাইরে কিছু সিনেমা হল রয়েছে যার সংখ্যা সত্তর থেকে পঁচাত্তরটি , এসব সিনেমা হল শুধুমাত্র উৎসবের সময়ে ওপেন হয় ।

ঈদের সিনেমা নেবার আর্থিক সামর্থ্য আছে দুই থেকে আড়াইশ সিনেমা হলের । চারটি সিনেমা এলে ইন্ডাস্ট্রির কিছু উপকার আছে, যেমন এতে করে বি ক্লাসের হল গুলোতেও প্রযোজকেরা সিনেমা দিতে বাধ্য হন । উৎসবের সময় হওয়াতে এসব সিনেমার সেল ভালো হয় । গত ঈদে শিকারি ও বাদশা ভালো বিজনেস ভালো করায় প্রায় ছাব্বিশটি সিনেমা হল অনিয়মিত থেকে নিয়মিত হয়ে যায় । এসব হলের মালিকেরা বন্ধ করে দেয়া হলগুলো পুনরায় চালু করবার সাহস পায় । ......(চলবে)

 


বিষয়ঃ চলচ্চিত্র | ট্যাগসমূহঃ সংস্কৃতি চলচ্চিত্র উৎসব [ ৪০৬ ] 406 [ ২ ] 2
  • শেয়ার করুনঃ
পাঠিয়ে দিনঃ

ব্লগারঃ সিকদার ডায়মন্ড

ব্লগ লিখেছেনঃ ৪ টি
ব্লগে যোগদান করেছেনঃ ২ বছর পূর্বে

২ টি মন্তব্য ও প্রতিমন্তব্য

একলব্য শুন্যতা

June 21, 2017 04:18 AM , ২ বছর পূর্বে
চালিয়ে যান.. ?
প্রতিমন্তব্য (লগইন)

সিকদার ডায়মন্ড
Jun 21, 2017 06:54 PM , ২ বছর পূর্বে
ধন্যবাদ, জনাব

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করবার জন্য আপনাকে লগইন করতে হবে।
ব্লগের তথ্য
মোট ব্লগারঃ ৬৬ জন
সর্বমোট ব্লগপোস্টঃ ৯৩ টি
সর্বমোট মন্তব্যঃ ১২২ টি


ব্লগ | হিউম্যানস অব ঠাকুরগাঁও-এ প্রকাশিত সকল লেখা এবং মন্তব্যের দায় লেখক-ব্লগার ও মন্তব্যকারীর। কোন ব্লগপোস্ট এবং মন্তব্যের দায় কোন অবস্থায় 'ব্লগ | হিউম্যানস অব ঠাকুরগাঁও' কর্তৃপক্ষ বহন করবে না