লিখেছেনঃ
2019-09-22BDT16:55  কিছুদিন ধরে কিছু কিছু বিষয় খুব ভাবাচ্ছে, ঠিক যেন গভীর একটা অস্বস্তি, এটা যেমন ধরা ছোঁয়ার বাইরে তেমনি চিন্তার ও বাইরে, এমন একটা বিষয় নিয়ে কথা বলতে গেলে অনেক প্রস্তুতি থাকা দরকার, কিন্তু সমস্যা হলো এইসব বিষয় নিয়ে পড়তে গেলেই অসুস্থ বোধ করি, তাই কিছুটা নিজের মত করেই লিখতে হচ্ছে। প্রথমেই আমাদের বাংলাদেশী মনন নিয়ে বলতে হয়, আমরা জাতি তে বাঙালি, চিন্তায় মুসলমান বাঙালী, কথায় গণতান্ত্রিক, চাওয়া গুলো সমাজতান্ত্রিক, অর্থনীতিতে পুঁজিবাদী, কর্মে নিজস্ববাদ, ধর্মে পকেটবাদী ( যখন ধর্ম প্রয়োজন তখন পকেট থেকে বের করি, কাজ শেষে আবার পকেটে রেখে দেই),  এছাড়াও আরো অনেক ভাবে আমরা নিজের ব্যাখ্যান দিতে পারি, তাতে কলেবর বাড়বে লেখার উদ্দেশ্য সাধিত হবে না। যাই হোক এত বিচিত্ররকম হবার ফলে আমাদের আচরণও হয় বিচিত্র, নিজেরাই নিজেদের চিনতে পারিনা। তখন নিজেরাই নিজেদের নিয়ে হাস্যরস করি। অলম্পিক ভিলেজ থেকে সাবান নিয়ে আসার মত হাস্যকর কাজ আমাদের দ্বারাই হয়, সোনা তো দূর কি বাত। কেন এই অবস্থা? আমাদের সংবিধান প্রনেতারা ছিলেন অনেক গুণী, কিন্তু গুনীর কদর করার মত মানুষ কখনো এই দেশে ছিলো না, সমস্যাটা এখানেই এপর্যন্ত কোন শাসক এইদেশ শান্তিতে শাসন করেছেন বলে জানা যায় না, বিদ্রোহ এই দেশের মানুষের রক্তে, নিয়মকে তুচ্ছ করা আমাদের স্বভাবগত। তো সংবিধান প্রনেতারা মুলনীতি দিলেন চারটি, ভাবলেন এসবের মাঝে একটি সুন্দর জাতিতে পরিণত হবে, সম অধিকার প্রতিষ্ঠা পাবে। কিন্তু মানুষ সেগুলো খারাপ ব্যবহারই শিখেছে। আমাদের দেশের প্রধান সমস্যা হলো জনসংখ্যা, কিন্তু বর্তমান সময়ে সরকার এর এই বিষয়ে কোন কাজ নেই বললেই চলে, অতীতে তা যা একটু ছিলো, সব সময়ে সরকার প্রধানেরা বলে এসেছেন জনসংখ্যা সম্পদ, কিন্তু সম্পদকেও সম্পদে পরিণত করার জন্য সম্পদ লাগে, হীরা উত্তোলন করতে হলে মাইনিং দরকার, দরকার হীরা সঠিক ভাবে কাটা, এসব ঠিজ মত না করা গেলে হীরার খনিও মূল্যহীন। আমরা হিসেব করিনি আমরা কত মানুষকে সম্পদের পরিণত করতে পারবো, কতটুকু ভার বইতে পারবো, এসব খুব জরুরী বিষয়, প্রয়োজন সঠিক গবেষণা, নিয়ন্ত্রণ, চীনের মত এক সন্তান নীতিও কাজে লাগতে পারে, সংবিধানের চারটি নীতিকে কাজে লাগাতে হলে এর চারটিরই প্রয়োগ দরকার, এবং খুব তাড়াতাড়ি। চলবে। ২৬০ জুলাই ১১, ২০১৭ ১২:০৭ অপরাহ্ন ২ বছর পূর্বে

 কিছুদিন ধরে কিছু কিছু বিষয় খুব ভাবাচ্ছে, ঠিক যেন গভীর একটা অস্বস্তি, এটা যেমন ধরা ছোঁয়ার বাইরে তেমনি চিন্তার ও বাইরে, এমন একটা বিষয় নিয়ে কথা বলতে গেলে অনেক প্রস্তুতি থাকা দরকার, কিন্তু সমস্যা হলো এইসব বিষয় নিয়ে পড়তে গেলেই অসুস্থ বোধ করি, তাই কিছুটা নিজের মত করেই লিখতে হচ্ছে।

প্রথমেই আমাদের বাংলাদেশী মনন নিয়ে বলতে হয়, আমরা জাতি তে বাঙালি, চিন্তায় মুসলমান বাঙালী, কথায় গণতান্ত্রিক, চাওয়া গুলো সমাজতান্ত্রিক, অর্থনীতিতে পুঁজিবাদী, কর্মে নিজস্ববাদ, ধর্মে পকেটবাদী ( যখন ধর্ম প্রয়োজন তখন পকেট থেকে বের করি, কাজ শেষে আবার পকেটে রেখে দেই),  এছাড়াও আরো অনেক ভাবে আমরা নিজের ব্যাখ্যান দিতে পারি, তাতে কলেবর বাড়বে লেখার উদ্দেশ্য সাধিত হবে না।

যাই হোক এত বিচিত্ররকম হবার ফলে আমাদের আচরণও হয় বিচিত্র, নিজেরাই নিজেদের চিনতে পারিনা। তখন নিজেরাই নিজেদের নিয়ে হাস্যরস করি। অলম্পিক ভিলেজ থেকে সাবান নিয়ে আসার মত হাস্যকর কাজ আমাদের দ্বারাই হয়, সোনা তো দূর কি বাত।

কেন এই অবস্থা? আমাদের সংবিধান প্রনেতারা ছিলেন অনেক গুণী, কিন্তু গুনীর কদর করার মত মানুষ কখনো এই দেশে ছিলো না, সমস্যাটা এখানেই এপর্যন্ত কোন শাসক এইদেশ শান্তিতে শাসন করেছেন বলে জানা যায় না, বিদ্রোহ এই দেশের মানুষের রক্তে, নিয়মকে তুচ্ছ করা আমাদের স্বভাবগত। তো সংবিধান প্রনেতারা মুলনীতি দিলেন চারটি, ভাবলেন এসবের মাঝে একটি সুন্দর জাতিতে পরিণত হবে, সম অধিকার প্রতিষ্ঠা পাবে। কিন্তু মানুষ সেগুলো খারাপ ব্যবহারই শিখেছে।

আমাদের দেশের প্রধান সমস্যা হলো জনসংখ্যা, কিন্তু বর্তমান সময়ে সরকার এর এই বিষয়ে কোন কাজ নেই বললেই চলে, অতীতে তা যা একটু ছিলো, সব সময়ে সরকার প্রধানেরা বলে এসেছেন জনসংখ্যা সম্পদ, কিন্তু সম্পদকেও সম্পদে পরিণত করার জন্য সম্পদ লাগে, হীরা উত্তোলন করতে হলে মাইনিং দরকার, দরকার হীরা সঠিক ভাবে কাটা, এসব ঠিজ মত না করা গেলে হীরার খনিও মূল্যহীন।

আমরা হিসেব করিনি আমরা কত মানুষকে সম্পদের পরিণত করতে পারবো, কতটুকু ভার বইতে পারবো, এসব খুব জরুরী বিষয়, প্রয়োজন সঠিক গবেষণা, নিয়ন্ত্রণ, চীনের মত এক সন্তান নীতিও কাজে লাগতে পারে, সংবিধানের চারটি নীতিকে কাজে লাগাতে হলে এর চারটিরই প্রয়োগ দরকার, এবং খুব তাড়াতাড়ি।

চলবে।


বিষয়ঃ প্রবন্ধ | ট্যাগসমূহঃ দর্শন রাজনীতি সংস্কৃতি সমসাময়িক জাতীয় সম্পদ [ ২৬০ ] 260 [ ০ ] 0
  • শেয়ার করুনঃ
পাঠিয়ে দিনঃ

ব্লগারঃ একলব্য শুন্যতা

ব্লগ লিখেছেনঃ ৪ টি
ব্লগে যোগদান করেছেনঃ ২ বছর পূর্বে

০ টি মন্তব্য ও প্রতিমন্তব্য

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করবার জন্য আপনাকে লগইন করতে হবে।
ব্লগের তথ্য
মোট ব্লগারঃ ৬৬ জন
সর্বমোট ব্লগপোস্টঃ ৯৩ টি
সর্বমোট মন্তব্যঃ ১২২ টি


ব্লগ | হিউম্যানস অব ঠাকুরগাঁও-এ প্রকাশিত সকল লেখা এবং মন্তব্যের দায় লেখক-ব্লগার ও মন্তব্যকারীর। কোন ব্লগপোস্ট এবং মন্তব্যের দায় কোন অবস্থায় 'ব্লগ | হিউম্যানস অব ঠাকুরগাঁও' কর্তৃপক্ষ বহন করবে না