লিখেছেনঃ
2019-08-26BDT09:47 সেদিন খেতে বসেছি, ছোট ভাইটা ক্লাস নাইনে পড়ে, তাকে প্রশ্ন করলাম, বাংলাদেশী একটা ঘড়ির ব্রান্ডের নাম বলতো,সে বলতে পারলো না,অবাক করা তাই না? আমরা এত ইঞ্জিনিয়ার বানাই,প্রযুক্তি দিয়ে দেশের ডিজিটাল অবস্থ, সেখানে ১৭কোটি মানুষের দেশে একটা দেশী ঘড়ির ব্রান্ড নেই। ঘড়ি ফ্যাক্টরি নিশ্চয়ই অনেক জায়গা নিয়ে থাকে? সে পরিমাণ জায়গা বাংলাদেশে নেই!! বাংলাদেশের এই সমস্যা সেই সমস্যা। আসলে সমস্যা কোথায় জানেন? সমস্যা আমাদের মগজে। আমাদের দরকার জাপানী, সুইস, ভারতীয় টাইটান আর কমদামী চাইনিজ ঘড়ি, তাহলে?  এটা তো গেল বাজারের অবস্থা, পলিসি গত অবস্থা দেখলে আরো মাথা খারাপ হবে,সেগুলো বিবরণ দেয়ার চরম লোভ থাকলেও দিতে পারছিনা,লেখার উদ্দেশ্য নষ্ট হবে বলে। আসলে আমাদের দেশের মানুষকে অভ্যাস করানো হয়েছে,কিন্তু প্রযুক্তি এ দেশেও ছিলো,সেগুলো বাদ পড়ে গেছে,আজো বাংলাদেশ ইঞ্জিন বানাতে পারেনা, কিন্তু ব্যাপক পরিমাণ গাড়ি চলে,আমরা কৃষি নিয়ে পড়ে আছি, কৃষি দরকার কিন্তু তার সাথে আর সব কিছুই দরকার,অর্থ না থাকলে কোন কিছুই কাজে দেবে না, আমাদের পণ্য প্রক্রিয়া করতে শিখতে হবে, দুইটা প্রাণ,স্কয়ার দিয়ে হবে না, সব দিকের প্রযুক্তি নিয়ে মাথা ঘামাতে হবে,আর সবচেয়ে বেশি নজর দিতে হবে শিক্ষা খাতে,কারণ এটা এতই অগোছালো যে এই শিক্ষাজীবন আমাদের তেমন কোন উপকারেই আসে না, শিক্ষাগত দিক গুলো সমাজজীবনে প্রভাব ফেলে, কিন্তু এখন আর তা হচ্ছে না,কারণ শিক্ষা ক্লাসরুম ছেড়ে কোচিং এ এসেছে,ফলে শিক্ষা ও সহশিক্ষা গুলো আর তেমন ভাবে প্রভাব রাখে না।খুব গুরুতর পরিবর্তন আমাদের দরকার, সমাজ ও ব্যক্তিজীবন আমাদের দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে থাকে, প্রতিটাই প্রতিটা সাথে যোগাযোগ রেখে চলে, আমরা পরিত্রাণ চাই, কিন্তু সমাধান খুঁজি অন্যের কাছে, ফলে আমাদের চিন্তা শক্তিও লোপ পেয়েছে। এক অনবদ্য নেতৃত্ব আমাদের উদ্ধার করতে পারে এই নতুন মৎছান্নয় থেকে। ১২৬ নভেম্বর ১০, ২০১৭ ১১:৫৪ অপরাহ্ন ১ বছর পূর্বে

সেদিন খেতে বসেছি, ছোট ভাইটা ক্লাস নাইনে পড়ে, তাকে প্রশ্ন করলাম, বাংলাদেশী একটা ঘড়ির ব্রান্ডের নাম বলতো,সে বলতে পারলো না,অবাক করা তাই না? আমরা এত ইঞ্জিনিয়ার বানাই,প্রযুক্তি দিয়ে দেশের ডিজিটাল অবস্থ, সেখানে ১৭কোটি মানুষের দেশে একটা দেশী ঘড়ির ব্রান্ড নেই। ঘড়ি ফ্যাক্টরি নিশ্চয়ই অনেক জায়গা নিয়ে থাকে? সে পরিমাণ জায়গা বাংলাদেশে নেই!! বাংলাদেশের এই সমস্যা সেই সমস্যা। আসলে সমস্যা কোথায় জানেন? সমস্যা আমাদের মগজে। আমাদের দরকার জাপানী, সুইস, ভারতীয় টাইটান আর কমদামী চাইনিজ ঘড়ি, তাহলে?  এটা তো গেল বাজারের অবস্থা, পলিসি গত অবস্থা দেখলে আরো মাথা খারাপ হবে,সেগুলো বিবরণ দেয়ার চরম লোভ থাকলেও দিতে পারছিনা,লেখার উদ্দেশ্য নষ্ট হবে বলে। আসলে আমাদের দেশের মানুষকে অভ্যাস করানো হয়েছে,কিন্তু প্রযুক্তি এ দেশেও ছিলো,সেগুলো বাদ পড়ে গেছে,আজো বাংলাদেশ ইঞ্জিন বানাতে পারেনা, কিন্তু ব্যাপক পরিমাণ গাড়ি চলে,আমরা কৃষি নিয়ে পড়ে আছি, কৃষি দরকার কিন্তু তার সাথে আর সব কিছুই দরকার,অর্থ না থাকলে কোন কিছুই কাজে দেবে না, আমাদের পণ্য প্রক্রিয়া করতে শিখতে হবে, দুইটা প্রাণ,স্কয়ার দিয়ে হবে না, সব দিকের প্রযুক্তি নিয়ে মাথা ঘামাতে হবে,আর সবচেয়ে বেশি নজর দিতে হবে শিক্ষা খাতে,কারণ এটা এতই অগোছালো যে এই শিক্ষাজীবন আমাদের তেমন কোন উপকারেই আসে না, শিক্ষাগত দিক গুলো সমাজজীবনে প্রভাব ফেলে, কিন্তু এখন আর তা হচ্ছে না,কারণ শিক্ষা ক্লাসরুম ছেড়ে কোচিং এ এসেছে,ফলে শিক্ষা ও সহশিক্ষা গুলো আর তেমন ভাবে প্রভাব রাখে না।খুব গুরুতর পরিবর্তন আমাদের দরকার, সমাজ ও ব্যক্তিজীবন আমাদের দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে থাকে, প্রতিটাই প্রতিটা সাথে যোগাযোগ রেখে চলে, আমরা পরিত্রাণ চাই, কিন্তু সমাধান খুঁজি অন্যের কাছে, ফলে আমাদের চিন্তা শক্তিও লোপ পেয়েছে। এক অনবদ্য নেতৃত্ব আমাদের উদ্ধার করতে পারে এই নতুন মৎছান্নয় থেকে।


বিষয়ঃ সমসাময়িক | ট্যাগসমূহঃ দর্শন রাজনীতি সংস্কৃতি বাংলাদেশ [ ১২৬ ] 126 [ ০ ] 0
  • শেয়ার করুনঃ
পাঠিয়ে দিনঃ

ব্লগারঃ একলব্য শুন্যতা

ব্লগ লিখেছেনঃ ৪ টি
ব্লগে যোগদান করেছেনঃ ২ বছর পূর্বে

০ টি মন্তব্য ও প্রতিমন্তব্য

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করবার জন্য আপনাকে লগইন করতে হবে।
ব্লগের তথ্য
মোট ব্লগারঃ ৬৬ জন
সর্বমোট ব্লগপোস্টঃ ৯৩ টি
সর্বমোট মন্তব্যঃ ১২২ টি


ব্লগ | হিউম্যানস অব ঠাকুরগাঁও-এ প্রকাশিত সকল লেখা এবং মন্তব্যের দায় লেখক-ব্লগার ও মন্তব্যকারীর। কোন ব্লগপোস্ট এবং মন্তব্যের দায় কোন অবস্থায় 'ব্লগ | হিউম্যানস অব ঠাকুরগাঁও' কর্তৃপক্ষ বহন করবে না