লিখেছেনঃ
2019-09-22BDT16:20 ঘটনাটা বেশ মজার। ছোটবেলা থেকে আমরা পড়ে এসেছি লোভী হাঁসের মালিক। যে এমন একটা হাঁস পায় যেটা প্রতিদিন সোনার ডিম দিত কিংবা একটু বড় হয়ে পড়েছি এলিসের আজব জগতের গল্প কিংবা পিটার প্যানের গল্প। কিন্তু এই ঘটনাটা বাস্তব, “মাছ ধরতে গিয়ে মিলল অস্ত্র” । তবে এসব যেমন তেমন অস্ত্র নয় আর সংখ্যাটাও কম নয়। সাম্প্রতি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের খালে মাছ ধরতে গিয়ে হৃদয় নামে ২০ বছরের এক তরুণ হঠাৎ অন্তত ৯টি অস্ত্র পায়। এরপর সে অস্ত্রগুলো তার বাসায় নিয়ে যায়। সে তরুণের অস্ত্র পাওয়ার কথা জানতে পেরে একই এলাকার বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম ওরফে শরিফ মিয়া তার কাছে থেকে কয়েকটি অস্ত্র নেয়। বাকি অস্ত্র ওই তরুণ বাসায় রেখে দেয়। মাদক ব্যবসার সূত্র ধরে গত মঙ্গলবার পুলিশ শরিফকে নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করে। এরপর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি মাহমুদুল ইসলাম ও রূপগঞ্জ থানার ওসি ইসমাইল হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ পূর্বাচলের গুতিয়াবো আগারপাড়া এলাকার বালুরমাঠ থেকে মাটি খুঁড়ে দুটি এসএমজি উদ্ধার করে। পরে রূপগঞ্জের বাগলা গ্রামে শরিফের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে একটি এসএমজি ও ইয়াবা পায় পুলিশ। পরে শরিফকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা যায়, মাছ ধরতে গিয়ে খালে পাওয়া অস্ত্র হাতবদল হয়ে তার কাছে এসেছে। এই তথ্য পেয়ে পুলিশ খালে অভিযান চালায়। এবং অভিযান চালিয়ে ব্যাপক পরিমাণ বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার করে। গত শুক্রবার সকালে অভিযান চালিয়ে পুলিশ পূর্বাচল এলাকার একটি খাল থেকে দুটি রকেট লঞ্চার ও ৬২টি এসএমজি (submachine gun (SMG)), ৪৯টি রকেট লঞ্চার প্রজেক্টর, পাঁচটি ৭.৬২ পিস্তলের ম্যাগাজিন, ৪৯টি হ্যান্ড গ্রেনেড, ৪৯টি ডেটোনেটর, এসএমজির ম্যাগাজিন ৬০টি, দুটি ওয়াকিটকি, একটি দুরবিন, ১৩টি এন্টেনা, বিপুল পরিমাণ টাইমফিউজ, ইগনাইটার ও এক হাজার ৫২৭টি গুলি উদ্ধার করা হয়। গতকাল শনিবারও রূপগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীতে অভিযান চালিয়ে একটি খাল থেকে আরও পাঁচটি এসএমজি পাওয়া গেছে। অস্ত্র যে পাওয়া গেছে এখানে প্রথম কথা হচ্ছে অস্ত্রগুলো আসলে কার। তবে তারচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার এবং আশঙ্কাজনক ব্যাপার হচ্ছে যে অস্ত্রগুলো কোন চাইনিজ বা অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরির না। কোন দেশের অস্ত্র সেটা এখনো পুলিশ বের করতে পারেনি। ডিআইজি মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, চীন ও অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিতে তৈরি অস্ত্রের নমুনার সঙ্গে রূপগঞ্জের খালে উদ্ধার অস্ত্র মিলিয়ে দেখা হয়েছে। এতে নিশ্চিত হওয়া গেছে, এসব অস্ত্র চীন ও অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরির নয়। আমরা আগে অস্ত্র তৈরিকারক দেশ বের করার চেষ্টা করছি। এরপর গন্তব্য বের করা হবে। এখন অন্যান্য দেশের তৈরি অস্ত্রের সঙ্গে উদ্ধার অস্ত্র মিলিয়ে দেখা হবে। তিনি আরও বলেন, পুলিশের মধ্যে যারা অস্ত্র নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করছেন এ বিষয়ে তাদের মতামত নেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে পরে সেনাবাহিনীর মতামত চাওয়া হবে। বাংলাদেশে যেসব অস্ত্র আসে তা মূলত চীনের। ভারতের সাথে সামরিক চুক্তি করলেও এখনো ভারত থেকে কোন অস্ত্র বাংলাদেশ কেনেনি। ইসরাইল বা যুক্তরাষ্ট্র থেকেও বাংলাদেশ অস্ত্র কেনে না। বলকান কোন দেশ থেকেও না। সব অস্ত্রই বলা চলে চীনের। তাছাড়া ভারত এসএমজি খুব কম পরিমাণে তৈরি করে। তাছাড়া এই এসএমজি গুলোর সাথে ভারতের বা রাশিয়ার তঈরি এসএমজির কোন মিল নেই। বড় সমস্যাটা এখানেই। এসএমজি বানায় মূলত ইটালি, জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্র, চেক রিপাবলিক, ব্রিটেন, সুইডেন, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, এস্তোনিয়া, রোমানিয়া, চীন, পোল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, বেলজিয়াম, ফিনল্যান্ড, হাঙ্গেরি, লুক্সেমবার্গ ইত্যাদি। পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানান, রূপগঞ্জের খালে উদ্ধার অস্ত্রের গায়ে তৈরিকারক দেশের নাম নেই। সাধারণত এ ধরনের অস্ত্র সরকারি বিভিন্ন সংস্থা ব্যবহার করে। তবে তাদের ব্যবহৃত অস্ত্রে তৈরিকারক দেশের নাম থাকে। তৈরিকারক দেশের নামবিহীন অস্ত্র-সরঞ্জাম সাধারণত বিচ্ছিন্নতাবাদীরা ব্যবহার করে। গেরিলা কর্মকাণ্ডে তা ব্যবহার করা হয়। কোনো জঙ্গি বা সন্ত্রাসী গ্রুপ এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করে না। একটা দেশে হঠাত করে অনুমোদনহীন কোন দেশের অস্ত্র পাওয়ার ব্যাপারটা আশঙ্কাজনক। বলা হচ্ছে জঙ্গীরা এসব অস্ত্র ব্যবহার করে না বা করেনি, কিন্তু করতেও তো পারে! ৬২ টা এসএমজি কম কথা নয়। সেই সাথে ৪৯ টা রকেট লাঞ্চার এবং এত বিপুল পরিমাণে গুলি পাওয়াটা কম নয়। অবশ্যই একটা বাহিনীর জন্য একটা বড় ধরণের বিশৃঙ্খলা তৈরির জন্য যথেষ্ট। আর রকেট লাঞ্চারও ভারত তৈরি করে না। রকেট লাঞ্চার বানায় যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, স্পেন, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, পোল্যান্ড ও সুইডেন। এর আগে গতবছর জুনে উত্তরা ১৬ নাম্বার সেক্টরের দিয়াবাড়ির খাল থেকে কিছু অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এর আগে ২০১৬ সালের অক্টোবরে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী বড় গজনী এলাকায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্রের চালান উদ্ধার করা হয়। ২০১৪ সালে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করেছিল র্যাব। ওই চালানে এসএমজিও ছিল। আর চট্টগ্রামের ১০ ট্রাক উদ্ধার করা অস্ত্র কোথাকার তা আমরা সবাই জানি। আমি জানি না এই ঘটনার সাথে কোন রাজনৈতিক বা এজেন্ডা সেটিংয়ের যোগসাজশ আছে কিনা, কিন্তু এইটা ঠিক যে ঘটনাটা আশঙ্কাজনক ও উদ্বিগ্নের ব্যাপার। ৩২২ জুন ০৫, ২০১৭ ১২:০৬ পূর্বাহ্ন ২ বছর পূর্বে

ঘটনাটা বেশ মজার।
ছোটবেলা থেকে আমরা পড়ে এসেছি লোভী হাঁসের মালিক। যে এমন একটা হাঁস পায় যেটা প্রতিদিন সোনার ডিম দিত কিংবা একটু বড় হয়ে পড়েছি এলিসের আজব জগতের গল্প কিংবা পিটার প্যানের গল্প। কিন্তু এই ঘটনাটা বাস্তব, “মাছ ধরতে গিয়ে মিলল অস্ত্র” । তবে এসব যেমন তেমন অস্ত্র নয় আর সংখ্যাটাও কম নয়।

সাম্প্রতি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের খালে মাছ ধরতে গিয়ে হৃদয় নামে ২০ বছরের এক তরুণ হঠাৎ অন্তত ৯টি অস্ত্র পায়। এরপর সে অস্ত্রগুলো তার বাসায় নিয়ে যায়। সে তরুণের অস্ত্র পাওয়ার কথা জানতে পেরে একই এলাকার বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম ওরফে শরিফ মিয়া তার কাছে থেকে কয়েকটি অস্ত্র নেয়। বাকি অস্ত্র ওই তরুণ বাসায় রেখে দেয়। মাদক ব্যবসার সূত্র ধরে গত মঙ্গলবার পুলিশ শরিফকে নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করে। এরপর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি মাহমুদুল ইসলাম ও রূপগঞ্জ থানার ওসি ইসমাইল হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ পূর্বাচলের গুতিয়াবো আগারপাড়া এলাকার বালুরমাঠ থেকে মাটি খুঁড়ে দুটি এসএমজি উদ্ধার করে। পরে রূপগঞ্জের বাগলা গ্রামে শরিফের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে একটি এসএমজি ও ইয়াবা পায় পুলিশ। পরে শরিফকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা যায়, মাছ ধরতে গিয়ে খালে পাওয়া অস্ত্র হাতবদল হয়ে তার কাছে এসেছে। এই তথ্য পেয়ে পুলিশ খালে অভিযান চালায়। এবং অভিযান চালিয়ে ব্যাপক পরিমাণ বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার করে।

গত শুক্রবার সকালে অভিযান চালিয়ে পুলিশ পূর্বাচল এলাকার একটি খাল থেকে দুটি রকেট লঞ্চার ও ৬২টি এসএমজি (submachine gun (SMG)), ৪৯টি রকেট লঞ্চার প্রজেক্টর, পাঁচটি ৭.৬২ পিস্তলের ম্যাগাজিন, ৪৯টি হ্যান্ড গ্রেনেড, ৪৯টি ডেটোনেটর, এসএমজির ম্যাগাজিন ৬০টি, দুটি ওয়াকিটকি, একটি দুরবিন, ১৩টি এন্টেনা, বিপুল পরিমাণ টাইমফিউজ, ইগনাইটার ও এক হাজার ৫২৭টি গুলি উদ্ধার করা হয়। গতকাল শনিবারও রূপগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীতে অভিযান চালিয়ে একটি খাল থেকে আরও পাঁচটি এসএমজি পাওয়া গেছে।

অস্ত্র যে পাওয়া গেছে এখানে প্রথম কথা হচ্ছে অস্ত্রগুলো আসলে কার। তবে তারচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার এবং আশঙ্কাজনক ব্যাপার হচ্ছে যে অস্ত্রগুলো কোন চাইনিজ বা অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরির না। কোন দেশের অস্ত্র সেটা এখনো পুলিশ বের করতে পারেনি। ডিআইজি মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, চীন ও অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিতে তৈরি অস্ত্রের নমুনার সঙ্গে রূপগঞ্জের খালে উদ্ধার অস্ত্র মিলিয়ে দেখা হয়েছে। এতে নিশ্চিত হওয়া গেছে, এসব অস্ত্র চীন ও অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরির নয়। আমরা আগে অস্ত্র তৈরিকারক দেশ বের করার চেষ্টা করছি। এরপর গন্তব্য বের করা হবে। এখন অন্যান্য দেশের তৈরি অস্ত্রের সঙ্গে উদ্ধার অস্ত্র মিলিয়ে দেখা হবে। তিনি আরও বলেন, পুলিশের মধ্যে যারা অস্ত্র নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করছেন এ বিষয়ে তাদের মতামত নেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে পরে সেনাবাহিনীর মতামত চাওয়া হবে।

বাংলাদেশে যেসব অস্ত্র আসে তা মূলত চীনের। ভারতের সাথে সামরিক চুক্তি করলেও এখনো ভারত থেকে কোন অস্ত্র বাংলাদেশ কেনেনি। ইসরাইল বা যুক্তরাষ্ট্র থেকেও বাংলাদেশ অস্ত্র কেনে না। বলকান কোন দেশ থেকেও না। সব অস্ত্রই বলা চলে চীনের। তাছাড়া ভারত এসএমজি খুব কম পরিমাণে তৈরি করে। তাছাড়া এই এসএমজি গুলোর সাথে ভারতের বা রাশিয়ার তঈরি এসএমজির কোন মিল নেই। বড় সমস্যাটা এখানেই। এসএমজি বানায় মূলত ইটালি, জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্র, চেক রিপাবলিক, ব্রিটেন, সুইডেন, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, এস্তোনিয়া, রোমানিয়া, চীন, পোল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, বেলজিয়াম, ফিনল্যান্ড, হাঙ্গেরি, লুক্সেমবার্গ ইত্যাদি।

পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানান, রূপগঞ্জের খালে উদ্ধার অস্ত্রের গায়ে তৈরিকারক দেশের নাম নেই। সাধারণত এ ধরনের অস্ত্র সরকারি বিভিন্ন সংস্থা ব্যবহার করে। তবে তাদের ব্যবহৃত অস্ত্রে তৈরিকারক দেশের নাম থাকে। তৈরিকারক দেশের নামবিহীন অস্ত্র-সরঞ্জাম সাধারণত বিচ্ছিন্নতাবাদীরা ব্যবহার করে। গেরিলা কর্মকাণ্ডে তা ব্যবহার করা হয়। কোনো জঙ্গি বা সন্ত্রাসী গ্রুপ এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করে না।

একটা দেশে হঠাত করে অনুমোদনহীন কোন দেশের অস্ত্র পাওয়ার ব্যাপারটা আশঙ্কাজনক। বলা হচ্ছে জঙ্গীরা এসব অস্ত্র ব্যবহার করে না বা করেনি, কিন্তু করতেও তো পারে! ৬২ টা এসএমজি কম কথা নয়। সেই সাথে ৪৯ টা রকেট লাঞ্চার এবং এত বিপুল পরিমাণে গুলি পাওয়াটা কম নয়। অবশ্যই একটা বাহিনীর জন্য একটা বড় ধরণের বিশৃঙ্খলা তৈরির জন্য যথেষ্ট। আর রকেট লাঞ্চারও ভারত তৈরি করে না। রকেট লাঞ্চার বানায় যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, স্পেন, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, পোল্যান্ড ও সুইডেন।

এর আগে গতবছর জুনে উত্তরা ১৬ নাম্বার সেক্টরের দিয়াবাড়ির খাল থেকে কিছু অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এর আগে ২০১৬ সালের অক্টোবরে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী বড় গজনী এলাকায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্রের চালান উদ্ধার করা হয়। ২০১৪ সালে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করেছিল র্যাব। ওই চালানে এসএমজিও ছিল। আর চট্টগ্রামের ১০ ট্রাক উদ্ধার করা অস্ত্র কোথাকার তা আমরা সবাই জানি।

আমি জানি না এই ঘটনার সাথে কোন রাজনৈতিক বা এজেন্ডা সেটিংয়ের যোগসাজশ আছে কিনা, কিন্তু এইটা ঠিক যে ঘটনাটা আশঙ্কাজনক ও উদ্বিগ্নের ব্যাপার।


বিষয়ঃ সমসাময়িক | ট্যাগসমূহঃ সমসাময়িক [ ৩২২ ] 322 [ ০ ] 0
  • শেয়ার করুনঃ
পাঠিয়ে দিনঃ

ব্লগারঃ আব্দুস সামী

ব্লগ লিখেছেনঃ ১৩ টি
ব্লগে যোগদান করেছেনঃ ২ বছর পূর্বে

০ টি মন্তব্য ও প্রতিমন্তব্য

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করবার জন্য আপনাকে লগইন করতে হবে।
ব্লগের তথ্য
মোট ব্লগারঃ ৬৬ জন
সর্বমোট ব্লগপোস্টঃ ৯৩ টি
সর্বমোট মন্তব্যঃ ১২২ টি


ব্লগ | হিউম্যানস অব ঠাকুরগাঁও-এ প্রকাশিত সকল লেখা এবং মন্তব্যের দায় লেখক-ব্লগার ও মন্তব্যকারীর। কোন ব্লগপোস্ট এবং মন্তব্যের দায় কোন অবস্থায় 'ব্লগ | হিউম্যানস অব ঠাকুরগাঁও' কর্তৃপক্ষ বহন করবে না